Header Ads Widget

Responsive Advertisement

যাদের অবদানে সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনে পরিণত হলো

 

ফারুক হোসেন, সাঁথিয়া, পাবনা :

প্রায় দেড় যুগ আগে থেকে সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে সর্বদলীয় নেতাকর্মীদের একত্রে সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে শুরু হয় ৬৮ পাবনা-১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলন।

৬৮ পাবনা-১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলনটি একপর্যায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন সাঁথিয়াবাসী। সাঁথিয়ার একক আসনের প্রধান বাধা হয়ে দাড়ান ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসর। একক আসনের দাবীতে অনড় থাকায় সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নিজাম উদ্দিন, সভাপতি সুশিল মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মনসুরুল ইসলাম, সহসভাপতি মরহুম মোজাম্মেল হক মাষ্টার,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম, জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীসহ অনেকেই লাঞ্চিত হয় ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসরদের হাতে।অপমান, নিন্দা, তিরস্কার, ভর্ৎসনা, কটূক্তি, অসম্মান হয়েও তারা চালিয়ে যান সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের আন্দোলন। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালানোর পর ২০২৫ সালের শেষের দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাধীন আইন বিভাগ রায় দেন সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন। রায়ের বিরোধিতা করেন, সাঁথিয়া এবং বেড়ার বেশকিছু নেতাকর্মী। সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের পক্ষে হাল ধরেন সাবেক সফল মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম। আইনি লড়াইয়ের একপর্যায়ে ১০ জানুয়ারী নির্বাচন কমিশন ৬৮ পাবনা ১ ও পাবনা ২ আসন নির্বাচন স্থগিত করেন। ১১ জানুয়ারী পাবনা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার  নাজিবুর রহমান মোমেন নির্বাচন কমিশনের আদেশের বিরুদ্ধে পাবনা-১ ও ২ আসনের পক্ষে লিগ্যাল নোটিশ করেন। সাঁথিয়া একক আসনের পক্ষে সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক হোসেন, সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন রানা, জোরগাছা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান, এনসিপির জেলা নেতা বকুল হোসেন,এনসিপির জেলা নেতা আবু দাউদ ফকির, ছাত্রনেতা মুনতাসীন বিল্লা সাদ, শিখন মোল্লা, সাবেক ছাত্র নেতা নজরুল ইসলাম,সাদ্দাম ফকির, ছাত্র নেতা আরিফুল ইসলাম, আসলাম উদ্দিনসহ সাঁথিয়াবাসীর নেতৃত্বে শুরু হয় সাঁথিয়ায় ব্যাপক আন্দোলন। ব্যাপক আইনি লড়াই শেষে ১৫ জানুয়ারী মহামান্য আদালত ইনসাফের পক্ষে ফাইনাল রায় দেন ৬৮ পাবনা-১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন,৬৮ পাবনা-২ সুজানগর ও বেড়া উপজেলা এবং ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। 

Post a Comment

0 Comments

বৈশিষ্ট্যযুক্ত খবর

যাদের অবদানে সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনে পরিণত হলো